শিরোনামঃ
২৭-০৩-২০২০ ০৮:৫৬ অপরাহ্ন |
স্টাফ রিপোর্টার : আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কথিত সোর্সের ছদ্মাবরণে শাহজাদপুরে দীর্ঘদিন ধরে আশ্রিত নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে প্রতারক বাবুল। নারী ব্যবসা চালানোর সুবিধার্থে কোন নারীকে সাজিয়েছে বউ আবার কোন মেয়েকে সাজিয়েছে বাবুলের শ্যালিকা। সমাজের লোক-চক্ষুকে আড়াল করতে বাবুল মোটা অংকের টাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে সাজানো স্ত্রী ও শ্যালিকাদের নিয়ে বসবাস করতো বিভিন্ন ভাড়া বাসায়। সেখানেই চলতো তার নারী ব্যবসা। নিজের আশ্রিত কথিত স্ত্রী ও শ্যালিকা ছাড়াও অন্যান্য দেহ ব্যবসায়ী নারীদের বাসায় এনে এবং ওই নারীদের জন্য বাবুল খদ্দের জোগাড় করে নিয়ে আসতো তার ভাড়ার বাসা বাড়িতে। অনেক সময় নারীদের দেহ ব্যবসার কমিশন গ্রহণ, আবার কখনও কোন বিত্তবান লোককে খদ্দের হিসেবে বাসা বাড়িতে ডেকে এনে তাদেরকে ফাঁসিয়ে দিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করতো প্রতারক বাবুল।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমান ঠিকানা বেড়ার শহিদ নগর এলাকার মেয়ে যার নামের আদ্যক্ষর ‘ট’, তাকে বাবুল বাবুলেরই পূর্ব পরিচিত জনৈক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রথমে কব্জা করে। এক পর্যায়ে শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের পেছনে একটি বাসায় মেয়েটিকে নিয়ে যায়। ওই বাসায় পূর্ব থেকেই বাবুলের কথিত একজন স্ত্রী থাকতো। ওই স্ত্রীর নামের আদ্যক্ষর ‘ল’। সেখানে নিয়ে শ্যালিকা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘ট’ আদ্যাক্ষরের মেয়েটিকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করাতো বাবুল। মেয়েটি জানায়, ‘তাকে দিয়েও যেমন দেহ ব্যবসা করানো হতো, ঠিক তেমনি কথিত স্ত্রীকে দিয়েও দেহ ব্যবসা করানো হতো। এ কাজে কথিত স্ত্রী রাজি না হলে বাবুল চালাতো তার উপরে শারীরীক নির্যাতন। এ দুইজনই শুধু নয়, ওই বাসায় অন্যান্য আরও মেয়েদের নিয়ে এসেও নারী ব্যবসা করতো বাবুল।’ ‘ট’ নামের আদ্যক্ষরের মেয়ের বক্তব্য থেকেই নারীদের দিয়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা করার ও তাদের ওপর বাবুলের নির্মম নির্যাতনের এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘কথিত সোর্স পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি যদি এরূপ অপরাধ করতেই থাকে, তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।’ - (চলবে)
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com