মামলার সুত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালে কামারখন্দ উপজেলার হরিপদর মেয়ে স্বপ্না রানীর সঙ্গে বিয়ে হয় সনাতন চন্দ্র ভৌমিকের। বিয়ের সময় যৌতুক হিসাবে একলাখ টাকার মধ্যে ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয় তাকে। বাকি ৪০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। ২০০১ সালের ২ আগস্ট রাতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী স্বপ্না রানীকে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন ভৌমিক। এ ঘটনায় নিহতের মা রাজু বালা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই স্বপরিবারে পলাতক রয়েছেন।
মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামির অনুপস্থিতিতে বুধবার বিচারক এ রায় দেন।