চৌহালীর এনায়েতপুরে মাদ্রাসা ছাত্র নির্যাতন গনমাধ্যম সংবাদ প্রকাশর পর মিমাংসার তদবির
২৭ জুন, ২০২৬ ১২:১৪ অপরাহ্ন

  

চৌহালীর এনায়েতপুরে মাদ্রাসা ছাত্র নির্যাতন গনমাধ্যম সংবাদ প্রকাশর পর মিমাংসার তদবির

সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চৌহালি
০৫-০৩-২০২০ ০৬:৫১ অপরাহ্ন
চৌহালীর এনায়েতপুরে মাদ্রাসা ছাত্র নির্যাতন গনমাধ্যম সংবাদ প্রকাশর পর মিমাংসার তদবির

চৌহালী প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জর এনায়তপুর থানার গাপালপুর গ্রামের বন্ধন তালিমুল কারআন নুরানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওঃ আমিরুল ইসলামর হাতে শিশু ছাত্র নির্যাতনর ঘটনা নিয়ে একুশ টলিভিশনর অনলাইন সহ বিভিন্ন গনমাধ্যম সংবাদ প্রচারর পর মাদ্রাসার পক্ষ নিয়ে তা মিমাংসার জন্য তদবির শুরু করে মাতবররা। তব এ ঘটনায় এখনো কানো ব্যবস্থা না নেয়ায় বহাল তবিয়ত রয়েছে ঐ শিক্ষক। এদিকে থাপ্পর দিয়ে কানের পর্দা ফাটিয় দেয়া ৬ বছরর ছাত্র রিফাত হাসন (৬) এখনো তার বাম কান কোনো কিছু শুনতে পারছে না বলে পরিবারর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। তার বাবা বুলবুল ইসলাম জানান, সংবাদ প্রকাশর পর প্রভাবশালী মাতবররা বিষয়টি মিমাংসা করে নেবার জন্য বার-বার তাগাদা দিচ্ছে । আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। তবে উপজেলা প্রশাসন এ বিষয় কার্যকরি পদক্ষপ নিবার কথা জানিয়েছে।

জানা যায়, ১৩ বছর আগে গাপালপুর বন্ধন তালিমুল কারআন নুরানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিশু শিক্ষার্থীদর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ কয়েকবার শালীস বৈঠোকও হয়েছে। বছর খানেক আগেও এলাকার এক শিশুকে মারধরের কারনে ১৫/২০ জন ছাত্র-ছাত্রী  ভয়ে পড়া বাদ দিয়েছে। তবুও আইন অমান্য করে শিশু নির্যাতন থেমে নেই। গত ২ মার্চ মাদ্রাসায় লেখা-পড়া অবস্থায় মাদ্রাসার মুহতামিম ইসলামী ঝালসার আলোচোক মাওঃ আমিরুল ইসলাম ক্লাশ চলাকালীন সময় বকা-ঝকা করে রুপনাই পুর্ব পাড়া গ্রামের শিশু রিফাত (৬) কে কানে সজোরে থাপ্পর দেয়। তখন ভূক্তভুগী রিফাত চিৎকার করতে করতে বাড়ি চল আসে। এরপর রাতে  অসুস্থ হলে  কান দিয় রক্ত ঝড়তে থাকে। পরে সিরাজগঞ্জে একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে চিকিৎসক ডাঃ শফিউল ইসলাম ঘটনা শুনে বিষ্মিত হন এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে  বলেন তার পরিবারকে। বুধবার সকাল চিকিৎসা শেষে বাড়িত আনা হলে স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা সেখান ছুটে যান। তখন তার বাবা বুলবুল ইসলাম ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে জেলা জুড়ে ব্যাপক তালপাড় সৃষ্টি করে। বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়।
এ বিষয় শিশু রিফাতের বাবা জানান, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর থেকে তাদের পক্ষ নিয়ে প্রভাবশালী মাতবররা বার-বার বাড়ি এসে মিটিয়ে নিতে চাপ দিচ্ছে । আমরা এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। তার পরও ঐ মাদ্রাসার শিক্ষকের কঠোর শাস্তি চাই। 
এদিকে এর আগেও শিশু নির্যাতনের ঘটনার কারনে মাদ্রাসাটি থেকে সরে এসে অন্য স্কুলে ভর্তি হয়১৫/২০ জন ছাত্র-ছাত্রী। এর মধ্যে রুপনাই পুর্ব পাড়া গ্রামের আসাদুল ইসলামের মেয়ে জুবায়দা (৬), রিপনের ছেলে আলিফ (৫), হারুনের ছেলে শাওন (৮) অন্যতম। নির্যাতীত শিশুর দাদা নওশাদ আলী জানান, যথাযথ ব্যবস্থা না নেবার কারনেই একের পর এক বন্ধন মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই এবার যেনো প্রশাসন তাদের ছাড় না দেয়। 
এদিকে মাদ্রাসার নির্যাতন কারী মুহতামিম মাওঃ আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই ঘটনাটি ঘটছে। বর্তমান তা মিমাংসার পর্যায় আছে। 
এ ব্যাপারে বেলকুচি উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রহমত উল্লাহ জানান, প্রাথমিক ভাবে ঘটনা তদন্তের কাজ চলছে। আমি নিজেও গিয়ে নির্যাতীতদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।


সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চৌহালি ০৫-০৩-২০২০ ০৬:৫১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 344 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com