শিরোনামঃ
রায়হান আলী, করেসপন্ডেন্ট(উল্লাপাড়া) ১৯-০২-২০২০ ০৬:৪১ অপরাহ্ন |
রায়হান আলীঃ রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে উল্লাপাড়ার চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামে অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনার। এই স্থানে থ৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাক হানদার বাহিনী এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে সাধারন মানুষকে ধরে এনে এক সাথে ১৫০ জনকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বুলেট নিক্ষেপ করে নির্মমভাবে হত্যা করে।
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এই স্থান কে স্মরণীয় করে রাখতে গ্রামের আব্দুল হাকিমের উদ্যোগে, তার নিজস্ব জায়গায় ২০০৮ সালে সরকারি বরাদ্দের অর্থ দিয়ে শহীদ মিনারটি নির্মান করেছেন। ব্যক্তিগত জায়গা হলেও প্রথম কয়েক বছর এখানে একুশে ফেব্রুয়ারি বা অপর রাষ্ট্রীয় দিবসগুলোতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। বর্তমানে অযতেœ শহীদ মিনারের কিছু অংশের টাইলস ভেঙ্গে গেছে।
এর পাদদেশে ধুলো ময়লা জমেছে। শহিদ মিনারের চারপাশে ও সিঁড়ির মাঝ দিয়ে আগাছা জন্মেছে। শহীদ মিনারের এই আগাছাগুলোও ছাফ করা হয়না। ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার সরেজমিনে শহীদ মিনার দেখতে গেলে মিনারটির এমন অবস্থাই চোখে পড়ে। অথচ একদিন পড়েই ভাষা শহীদদের স্মরণে সারা দেশে পালিত হবে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি।
শহীদ মিনার স্থলে উপস্থিত থাকা চড়িয়া গ্রামের আবু তাহের, আকাল উদ্দিন খা, গোলজার হোসেন জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে এই শহীদ মিনারটিতে জাতীয় দিবসগুলোতে ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে কোন ফুল দেওয়া হয় না। আয়োজন করা হয় না কোন অনুষ্ঠানের।
এ ব্যাপারে শহীদ মিনারের নির্মাতা আব্দুল হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান শহীদ মিনারটি কিছটুা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এখানে একুশে ফেব্রুয়ারির দিন বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং এখানে অনুষ্ঠানও করা হয়। শহীদ মিনারের আগাছাগুলো অনুষ্ঠানের পূর্বেই পরিস্কার করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার্ মোঃ আরিফুজ্জামান জানান, কোন অবস্থাতেই শহীদ মিনার কোন অবস্থাতেই অযতœ অবহেলায় রাখা যাবে না। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com