শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ১২-০১-২০২০ ০৭:৩৯ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
চলনবিল অধ্যাষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা জুড়ে আবাদী ফসলী জমি কেটে পুকুর কাটার হিরিক পড়েছে।
এদিকে ফসলী জমি কেটে পুকুর তৈরি করার ফলে কৃষকের সর্বনাশ হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
প্রতি বছরেরই এ উপজেলায় শতশত বিঘা আবাদী ও ফসলী জমি কেটে যত্রতত্র পুকুর কাটায় জলাবদ্ধতার ফলে অনেক কৃষক সঠিক সময়ে সরিষা, ভুট্টা, গম ও ধান চাষ করতে পারছেনা। আবার সামান্য বৃষ্টিতে পানি বের হতে না পারায় আবাদী ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়।
সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার তাড়াশ সদর ইউনিয়নের সোলাপাড়া, বোয়ালিয়া কাউরাইল, খুটিগাছা, নওগা ইউপির ভায়াট, খালখুলা, চৌপাকিয়া, বানিয়াবহু, মহিষলুটি, বিরৌহালী, পংরৌহালী, কালুপাড়া, সাস্তান, শ্রীকৃঞ্চপুর, মাধাইনগর ইউপি. সগুনা ইউপিতে এস্কাভেটর মেশিন (ভেকু) দিয়ে শতশত বিঘা আবাদী জমি কেটে পুকুর খননের কাজ চলছে। এ যেন মহাজজ্ঞ কর্মকান্ড চলছে ফসলি জমিতে। প্রভাবশালী ও অবৈধ মুনাফালোভীরা বিভিন্ন উর্দ্ধতনদের ম্যানেজ করে রাতদিন হরদম পুকুর খনন করছে।
কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, অসাধু ব্যক্তিরা বেশী মুনাফার লোভ দেখিয়ে জমি মালিকদের ভুমির শ্রেণীর পরিবর্তন না করেই আবাদী জমিতে পুকুর কাটতে উৎসাহীত করছেন। একদিকে যেমন কৃষি জমি কাটার ফলে দেশের খাদ্যর চাহিদার ঘাটতি পড়ছে তেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, গত পাচ বছরে এ উপজেলায় ২৪০০ বিঘা আবাদী জমি কমে গিয়েছে। এতে করে দেশে খাদ্য চাহিদানুযায়ী ঘাটতি পড়ছে। কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দ্রæত পুকুর কাটা বন্ধ করতে হবে। আর তা না হলে খাদ্যর ঘাটতি পড়বে।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। যখনই কোন অভিযোগ পাই তখনই অভিযান চালিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com