বাস টার্মিনালে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, বিড়ম্বনায় যাত্রীরা
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৭ অপরাহ্ন

  

বাস টার্মিনালে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, বিড়ম্বনায় যাত্রীরা

নিউজরুম
১৯-০৮-২০২০ ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
বাস টার্মিনালে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, বিড়ম্বনায় যাত্রীরা

 ২০০৪ সালের জুন মাসে নগরীর উপকণ্ঠে ৭ দশমিক ৪১ একর জায়গার ওপর সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হয় নওদাপাড়া বাস টার্মিনাল। ২০১১ সালের জুন মাসে পরিবহন মালিকদের কাছে টার্মিনালটি হস্তান্তর করে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ)। সেই থেকে তেমন কোন সংঙ্কার হয়নি টার্মিনালটির। এতে টার্মিনালের ভেতর খানা-খন্দে ভরে গেছে। অল্প বৃষ্টিতেই তৈরি হয় জলাবদ্ধতার। বাস বা অন্য যানবাহন রাখায় পড়তে হচ্ছে ভোগান্তির মুখে।

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালে নওদাপাড়া এলাকায় ৭ দশমিক ৪১ একর জায়গায় আন্তজেলা বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ শেষ হয় ২০০৪ সালে। এতে ব্যয় হয় ৭ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। টার্মিনালে একসঙ্গে প্রায় ৫০০টি বাস দাঁড়াতে পারে। টার্মিনালের পাশাপাশি শহরের সঙ্গে সংযোগ সড়ক হিসেবে ভদ্রা পর্যন্ত ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার সড়কও নির্মাণ করা হয়।

টার্মিনালটি হস্তান্তর হওয়ার নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনালকে সেখানে স্থানন্তর করা হয়। রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেল ও উপজেলার বাস ছাড়া হয় নওদাপাড়া বাস টার্মিনাল থেকে। গুরুত্বপূর্ণ এ বাস টার্মিনালটি নির্মানের পরে বিশেষ কোন সংঙ্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।
দীর্ঘদিন সংঙ্কার করা না হওয়ার কারণে টার্মিনালের ভেতর খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। রাজশাহীর নওদাপাড়া আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের ভেতরের মসজিদের জলাবদ্ধতা যেন স্থায়ী রুপ নিয়েছে। এই দূষিত পানি না ডিঙিয়ে মসজিদে যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। ফলে স্থানীয় ও যাত্রী মুসল্লীরা মসজিদে যেতে দুর্ভোগে পড়ছেন।

তখন পাশের রাস্তাগুলো নিচু থাকলেও বর্তমানে টার্মিনালটিই রাস্তা থেকে নিচু হয়েছে। যে কারণে বাস রাখা গ্রাউন্ডেও দিনের পর দিন পানি জমে থাকে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় খানা-খন্দে ভরে গেছে। টার্মিনাল মসজিদে যাওয়ার রাস্তাগুলোর আরও বেহাল অবস্থা।

একটু বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে যায়। আর কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার দীর্ঘদিন ধরেই থাকে এই জলাবদ্ধতা। এতে মুসল্লীদের মসজিদে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যে কারণে টার্মিনাল আসা যাত্রী ও এলাকার ব্যবসায়ীবৃন্দ মসজিদে যেতে পারেন না।

রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে বাস নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় শ্রমিকদের।

শ্রমিক নেতা মাহাতাব হোসেন চৌধুরী আরো জানান, প্রতিদিন গাড়ি প্রতি ২০ টাকা করে দৈনিক প্রায় ১৫ হাজার টাকা দেয়া হয় রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে। অনেকবার সমস্যার কথা জানানোর পরেও তারা সংঙ্কারের কোন উদ্যোগ নেননি। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শ্রমিক নেতা মাহাতাব হোসেন চৌধুরীসহ শ্রমিকরা।


নিউজরুম ১৯-০৮-২০২০ ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 292 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com