শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৪-১২-২০১৯ ০৬:৫১ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
এ বছর চলনবিলের তাড়াশ, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, ভাঙ্গুড়া ও সিংড়া উপজেলার মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে।
কৃষি বিভাগ জানান, চলনবিলাঞ্চলে প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এদিকে, গত বছরে তাড়াশ উপজেলায় সরিষা আবাদে লক্ষমাত্রা ছিল সাড়ে পাচঁ হাজার হেক্টর জমিতে। এদিকে চলতি বছরে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে পাচঁ হাজার চারশত হেক্টর। কিন্ত পর্যন্ত আবাদ করা হয়েছে চারহাজার পাচঁশত হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনা প্রায় একহাজার হেক্টর কম আবাদ হয়েছে।
উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের নলুয়াকান্দি গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা বলেন, চলনবিলাঞ্চলে এ বছর বন্যার পানি নামতে দেরি হওয়ার কারণে আগাম সরিষার চাষ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তিনি বলেন, একসময় চলনবিলের কৃষকরা শুধু ইরি-বোরো এক ফসলী আবাদ করে হাজার হাজার হেক্টর জমি পতিত রাখত।
উল্লাপাড়া উপজেলার পুস্তিগাছা গ্রামের ইমরুল হাসান জানান, এ বছর ১০ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি আশা করছি ফলনও ভাল হবে। যদি পোকা আক্রমণ করে তাহলে সরিষা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। অনেকেই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন আর্থিকভাবে।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, গত বছরে তাড়াশ উপজেলায় সরিষা আবাদে লক্ষমাত্রা ছিল সাড়ে পাচঁ হাজার হেক্টর জমিতে। এদিকে চলতি বছরে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে পাচঁ হাজার চারশত হেক্টর। কিন্ত পর্যন্ত আবাদ করা হয়েছে চারহাজার পাচঁশত হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনা প্রায় একহাজার হেক্টর কম আবাদ হয়েছে। তিনি আরো জানান, যে হারের পুকুর খনন চলছে। পুকুর খনন যদি না থামানো যায় আর পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না করা হয়। তাহলে আগামী সরিষার আবাদ আরো কমে যাবে। এবছর কৃষককে সরিষা চাষে ব্যাপক সচেতন করা হয়েছে। সরিষা চাষের পদ্ধতি ও পোকার আক্রমন হলে কি করনীয় সে বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করেছেন।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com