শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২১-১২-২০১৯ ০১:০৯ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
চলনবিল অধ্যাষিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত তিনদিনের শীতে এ অঞ্চলের মানুষের চরমে নানা শীতবাহিত রোগের দেখা দিয়েছে। তাছাড়া গরীব ও শ্রমজীবি মানুষের শীত উপেক্ষা করে শ্রম বিক্রী করতে পারছেনা।
এদিকে শীত নিবারনের জন্য নিম্ন আয়ের লোকজন ফুটপাথের পোষাকের দোকানে ভীড় করছেন। এমনকি ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বয়স্ক মানুষেরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে আগুন জ্বেলে শীত নিবারণের দৃশ্যও চোখে পড়ার মত। উত্তরাঞ্চলের হিমালয় পর্বত হওয়াতে এ অঞ্চলে শীত কিছুটা বেশিই। গতদিন যাবত সুর্যেও দেখা না মেলায় শীতের পাশাপাশি বাতাসের কারনে শীতের তীব্রতা খুব বেশিই।
সাজেদুল ইসলাম নামে এক ভ্যান চালক বলেন, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারনে মানুষ সহজে রাস্তায় বের হচ্ছেন না। ঘন কুয়াশার জন্য সড়কে গাড়ি চালাতে অসুবিধা হয়, একটু অসতর্কতার কারনে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। চলনবিলের বুক চিড়ে বয়ে যাওয়া হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কে কুয়াশার কারনে তীব্র যানজটে নাকাল পথচারীরা।
স্কুল ছাত্র নীড় আহসান নাবিল বলেন, কনকনে শীতে শরীরের কাপুনি বেড়ে যায়। স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। বর্তমানে স্কুল বন্ধ থাকার কারনে বাসা থেকে বের না হওয়ায় কিছুটা স্থস্তি পাওয়া যাচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস.এম নাগিব মাহফুজ জানান, তীব্র শীত ও কুয়াশার কারনে বোরো বীজতলা হলদে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে পলিথিন দিয়ে বোরো বীজতলা ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সকাল বেলা বোরো বীজতলায় ভিটামিন স্প্রে ও শিশির ভেঙ্গে দিতে হবে। একটু সুর্য বের হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com