বেলকুচিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
০৭-১২-২০১৯ ১০:৫১ অপরাহ্ন
|
|
বেলকুচিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ
জহুরুল ইসলাম:
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে। সে বেলকুচি উপজেলার বিন্নাবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছে ঐ স্কুলের ছাত্রীরা।
জানা যায়, সহকারী শিক্ষক আব্দুল আজিজ নানা কৌশলে ছাত্রীদের ঢেকে নিয়ে গিয়ে দির্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন ভাবে যৌন হয়রানি করে আসছিল। পরে যৌন হয়রানির স্বীকার হওয়া ছাত্রীরা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করে।
যৌন হয়রানির বিষটি স্বীকার করে স্কুলের প্রাধান শিক্ষক সরকার আব্দুল কাদের এই প্রতিবেদককে জানান, সে ইতিপূর্বে অন্য একটি স্কুলে থাকাকালীন সময়ে এমন অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে আমার বিদ্যালয়ে এসেছিল। আমার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের কঠোর ভাবে বলে দেওয়া হয়েছে কোন মেয়ে বা ছেলের গায়ে হাত তোলা যাবে না। তবুও আমার কাছে মেয়েরা সহকারী শিক্ষক আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে আমার কাছে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ দিয়েছে। আমি বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহ স্কুল পরিচালনা কমিটিকে অভিহিত করেছি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি ঐ শিক্ষকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
এদিকে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বড়ধূল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ জানান, এটি অত্যান্ত দুঃখ জনক ব্যাপার। আমি বিষয়টি জানার পর শিক্ষা অফিসারকে ফোন করে জানাই। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিসার স্কুলে এসে ঐ শিক্ষককে স্কুল থেকে সড়িয়ে নিয়ে অন্য স্কুলে ডেপুটেশনে দেয়। তবে আমি মনে করি এই রকম শিক্ষকের শাস্তি হওয়া দরকার।
জিধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান মন্ডল বলেন, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ ইতিপূর্বে আমার স্কুলে এধরনের অভিযোগের কারণে এ স্কুল থেকে বিতারিত করা হয়েছে। একই ঘটনা আরেকটা স্কুলে গিয়ে করেছে। সে আসলে ভালনা, তার সাজা হয়া উচিৎ।
অপরদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফজলুর রহমান বলেন, সহকারী শিক্ষক আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে ডেপুটেশনে অন্য একটি স্কুলে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক বা বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ থেকে যদি লিখিত অভিযোগ পাই তাহলে বিভাগীয় পর্যায়ে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে অভিবাবকেরা বলেন, যদি এমন চরিত্রহীন শিক্ষকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা হওয়া দরকার। তাহলে আর কোন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির স্বীকার হতে হবে না বলে মনে করে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ০৭-১২-২০১৯ ১০:৫১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 1858 বার দেখা হয়েছে।
পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ