জীবনের দাবানলে
ছোট ছোট সন্রাসী গ্রুপের ঝিঝি পোকার নতুন ভাবে উন্থান শুরু। রাষ্ট্রের শাসক দলের নেতাদের তৈরী , সরকারী এম পি, মন্ত্রীদের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে দূর্বৃত্ত গ্রুপ স্হানীয় পর্যায়ে এবং নির্দিষ্ট জনপদে বলা যায়, গ্রাম ওয়াড, ইউনিয়ন, সন্রাসী কর্মকাণ্ড মারধর টেন্ডার বাজি, মাদক, নারী ধর্ষণ সম্পত্তি দখল এবং ছিনতাইয়ের মত কর্মকাণ্ড নিরদ্বিধায় চালিয়ে যেতে থাকে, এই সমস্ত তরুন সন্রাসীদের নিজস্ব ও পারিবারিক পরিচয় খুবই নিম্ন স্তরের। এরা ঘৃণিত, সর্বতোভাবে পরিত্যাজ্য। এদের সে দৃষ্টিতেই দেখতে হবে। ৯৪ দশক মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে গড়িয়ে পড়েছে। আমরা তখন হাই স্কুলের ছাত্র। দেশে খালেদাজিয়ার শাসন চলেছে। সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলো তোর জোর অনেক বেশি। আওয়ামী লীগ রাজনীতি সব চেয়ে বড় দল, বাম পন্থি শক্তি ছোট দল হলেও তাদের তৎপরতা লক্ষ করা যেত। এসব সন্রাসীদের সরকারের অন্ধো সমর্থক ছিল। সন্রাসীদের সাধারন জনগন সরকারের পেটোরা বাহিনী নামে অ্যাখারিত করতো। সন্রাসী বাহিনীর সদস্য রা ন্রাসের সৃষ্টি করতো এবং অধিপওি বিস্তার করার জন্য মারামারি খুনাখুনি হানাহানি করতো, সাধারণ জনগন এদর গুন্ডা বা সন্রাস হিসেবে জানতো। গুন্ডাদের মধ্যে টাটকু দলীয় এমপি'র কাছে মহাসমাদৃত। তাদের কর্মকাণ্ড অপ্রকাশিত বুলেটিন সবার মুখে মুখে ফিরতো। কর্মকাণ্ড বলতে অপকর্ম কে বোঝানো হতো। আজ একে মেরেছে কাল ওর টাকা পয়সা কেরে নিয়েছে,পরশু কোনো এক মানুষের জায়গা জমি দখল করেছে, এমন সংবাদ প্রতিদিন শোনা যেতো। কেউ কেউ আবার এদের অপকর্ম কে বাহাদুরি হিসেবে দেখত। এমপি, মন্ত্রী অবশ্যই সুযোগ পেলেই গুন্ডা বা সন্রাসীদের কে এ জন্য বাহবা দিতো। একই সঙ্গে এই সন্রাসীদের অধি নায়ক পরিচয় করে দিতো। তারা মনে করতো এমন হিরো তারা ভারত বাংলা ফিল্মেও দেখেনি। সন্রাসীদের ব্যাপারে ও গাল গল্পের শেষ ছিলো না। টাককু নাকি দস্যু বাহারাম হওয়ার চেষ্টা করতো। সব কল্পকাহিনী। অসত্য প্রমানিত করে ২০০৪ সালের দিকে প্রতিপক্ষের আক্রমণে মৃত্যু বরন করেন, তার মৃত নিজ গ্রামে দাফন হয়। মৃত্যুতে কেউ দুঃখ প্রকাশ করেছে বলে মনে হয় না। সাধারণ জনগন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, যত দুর মনে পড়ে, তার জন্য কনো শোক সভা হয়নি। একটি করুন মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে টাককুর গল্পো গাথা, প্রভাব প্রতিপওি, অত্যাচার অনাচারের অবসান ঘটলো। এর পড়ে ২০০৬ সালে উওাল রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু হলো, অল্পো দিনের মধ্যে তা গন আন্দোলনে রুপ নিলো। তার পড় এলো সামরিক সমর্থন সরকার তিনি জাতিকে ফেয়ার একটি অবাদ নিঃপ্রেক্ষ নিবার্চন, নিবার্চনে চার দলীয় জোট বি এন পি , আর আওয়ামীলীগের সাথে ১৪ দলীয় জোট, ১৪ দলের সাথে জাতীয় পার্টি যোগ দিলে মহাজোট, মহাজোট দুই তৃতীয় আসন পেয়ে স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তি নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।।।
যারা শুধু পেশি শক্তি, গুন্ডামি ও দুর্বৃওায়নের মাধ্যমে পরিচয় ও প্রতিপ্রওির শীর্ষে উঠে যায়, তাদের পরিনতি শেষ পযন্ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই টাটকুর মতো হয়ে থাকে। আর যেসব সংবাদকর্মি এবং পত্র পত্রিকা তাদের গৌরব গাথা প্রচার করতেন, তারাও এই গুন্ডাদের ব্যাপারে নির্বিবার, নিশ্চুপ। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কারি বাহিনী এবং সরকারি প্রশাসন ওপরের নির্দেশে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে এদের সয়তা করে। পত্র পত্রিকা এদের অপকর্ম কে কখনো সমালোচনা করে, কখনো গৌর বান্বিত প্রকাশ করে। যে কাজ সর্বভাবে নিন্দিত হওয়ার কথা, সে কাজ কে নন্দিত করতে কেউ কেউ চেষ্টা করেছে।সন্রাসীরা কোথায় ফিল্মি কায়দায় ছিনতাই ধর্ষন,খুন করেছে, কোথায় সদল বলে। সরকারের সম্পত্তি দখল করেছে, কোথায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী কে টেক্কা দিয়ে তাদের কার্য সিদ্ধি করেছে, তাকে রংচং দিয়ে বর্ননা করলে প্রকান্তরে দূর্বৃত্তদের উৎসাহিত করা হয়।তরুন সন্রাসীদের নিজস্ব এবং পারিবারিক পরিচয় খুবই নিম্নেস্তরের এদের নেতারা যুব সন্রাসীদের স্বযত্নে লালন পালন করত কু কর্ম করার জন্য, এই যুব সমাজ বুঝতে পারে না, তাদের লেখাপড়া এবং চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সন্রাসীরা নেতাদের চাকর হিসেবে কাজ করে। দু একটি দুঃসাহসী কাজ করার পড় এদের পরিচিতি চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে, কিছু দালাল চক্রের লোক সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করে। এ সব সন্রাসীরা খুন, গুম মাদক অপহরন ধর্ষন অগ্নি সংযোগের মত জঘন্যতম অপরাধের পরিকল্পনা কারি, বাস্তবায়ন কারি সহযোগী ও সুরক্ষা প্রদান কারি কে আইনের আওতায় আনা প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য। বাস্তব অবাস্তব কারনে যদি এ কর্তব্য যথাযথ ভাবে পালন করা না যায়, তবে এই শ্রেনী অপরাধী কে মনে প্রাণে ঘৃণা করতে হবে। কোনো অজুহাত এদের কাজ কর্ম তথা অপকর্মকে মহিমান্বিত করা যাবে না। ফিল্মের নায়কের সঙ্গে তুলনা করা যাবে না, এরা ঘৃনিত সর্বতো ভাবে পরিত্যাজ্য।
এদের সে দৃষ্টিতেই দেখতে হবে, সমাজের নোংরা পোকা হিসাবে এরা থাকবে অথবা মারা যবে, এর বেশি নয়।
লেখক, মেহেদী হাসান শুভ্র,
সভাপতি
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড
বেলকুচি উপজেল