দরিদ্র শিক্ষার্থীর পাশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক
মেয়ে কামরুন নাহার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় 'ই' ইউনিটে প্রথম হলেও ভর্তির টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তার বাবা শেরপুর সদর উপজেলার শালচূড়া গ্রামের দরিদ্র রিকশাচালক মো. কেরামত আলী। খবর পেয়ে মালয়েশিয়া থেকেই তার পাশে দাঁড়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. গোলাম মোস্তফা।
বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তির জন্য মো. গোলাম মোস্তফা প্রদত্ত নগদ ১৫,২০০ টাকা কামরুন নাহারের হাতে তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. ফারুক উদ্দিন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মমিনুল হক, কালের কণ্ঠ শুভসংঘ, নোবিপ্রবি শাখার প্রধান উপদেষ্টা ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেন প্রমুখ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম বলেন, আমি জানতে পেরেছি প্রতি বছরই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম মোস্তফা দরিদ্র শিক্ষার্থীদের এভাবে সহযোগিতা করেন। এটা খুবই মহৎ এবং প্রশংসনীয় একটি কাজ। সমাজের বিত্তবানরা এভাবে এগিয়ে আসলে দারিদ্র্যতার কারণে কারো পড়াশোনা থেমে থাকবে না।
উল্লেখ্য, মো. গোলাম মোস্তফা কালের কণ্ঠ শুভসংঘ, নোবিপ্রবি শাখার প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ পেয়ে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ায় পিএইচডিরত। কয়েকবছর ধরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন।