বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হোসাইনের পাশে মানবতার কর্মীরা
জহুরুল ইসলাম:
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হোসাইনের চিকিৎসা করাতে যখন ভূমিহীন নি:স্ব বাবা শরীফুল, তখন তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা মামুন বিশ্বাসসহ স্থানীয় সংবাদ কর্মীবৃন্দ। মামুন বিশ্বাসের নেতৃত্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে হোসাইনের পরিবারকে তুলে দিলে দেয়া হয়।
সোমবার বিকালে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত-ই-জাহান ও উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল এর মাধমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষ থেকে ৯১ হাজার টাকা তুলে দেয়া হয়।
মামুন বিশ্বাস বলেন, সাংবাদিক আব্দুল সামাদ ও জহুরুল ইসলামের মাধ্যমে আমি জানতে পারি, টাকা না থাকায় হোসাইনকে নিয়ে অনেক কষ্ট করছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটালের বার্ন ইউনিটে।
এর পর আমি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার উপজেলার দেলুয়া গ্রামের দিনমজুর শরিফুলের বাড়িতে এসে ও ঢাকা মেডিকেলে খোঁজ খবর নিয়ে আমার ফেসবুকে হোসাইনের চিকিৎসার সাহায্যের আবেদন চেয়ে একটি পোস্ট দেই। এই পোস্টের অর্থ হোসাইনের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে টাকা তুলে দেওয়া হয়। আমি আশা করি এই টাকা দিয়ে হোসাইনের চিকিৎসা হবে। হোসাইনের জন্য যারা সহযোগিতা করেছেন আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর্জা ছোলায়মান হোসেন, ধুকুরিয়াবেড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুর রশিদ শামীম, বড়ধুলের চেয়ারম্যান আছের উদ্দিন মোল্লা, সাংবাদিক আব্দুল সামাদ ও সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।
হোসাইনে মা হোসনে আরা ছেলের চিকিৎসার টাকা পেয়ে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি যারা হোসাইন কে দেখতে চান ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে (গ্রীণ) ৪ তলার ৫১৫ নাম্বার ওয়ার্ডের ১০ নাম্বার বেডে ভর্তি আসার কথা জানান। এর মধ্যে হোসেনের শরীরে পচন ধরেছে। যার কারণে তার বাম হাতটা কেঁটে ফেলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল বলেন, মামুন বিশ্বাসসহ স্থানিয় সংবাদকর্মীরা হচ্ছেন মানবতার ফেরিওয়ালা। যেখানে মানবতা বিপন্ন হয় সেখানেই তারা ছুটে যান।
মামুন বিশ্বাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অসহায় মানুষের সাহায্যের আবেদন তুলে ধরেন। এ ধরনের আবেদন থেকে যে অর্থ আসে তা তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে অসহায় মানুষদের হাতে তুলে দেন। তারা তাদের সততার কারণে সকল শ্রেণির মানুষের আস্তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।