শিরোনামঃ
নিউজরুম ১২-১০-২০১৯ ০৩:৩৫ অপরাহ্ন |
টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি একদিকে কমতে শুরু করেছে অন্যদিকে প্রভাবশালীরা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ের বেলটিয়া ও গরিলাবাড়ি এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে আতংকে আছেন নদী পাড়ের মানুষ। এ অবস্থায় ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
ভাঙন কবলিতরা জানান, বুধবার বিকেল থেকে হঠাৎ করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপারের সেতু বাঁধের বেলটিয়াবাড়ি এলাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বেশ কিছু বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আকস্মিক ভাঙনে দিশেহারা নদী পাড়ের মানুষ। ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৫-২০টি বাড়ি-ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বাড়ি-ঘর হারিয়ে এখন আমি অসহায় হয়ে পড়েছি।
অবশ্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই জায়গাটা বিবিএর অংশ বিশেষ, আমরা ভাঙনের খবর পেয়ে দ্রুত চলে এসেছি। জরুরিভাবে একটা ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি যাতে ভবিষ্যতে আর না ভাঙে।
অন্যদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন।
টাঙ্গাইল-৪ সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী বলেন, যে কয়টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে আমরা ক্ষতিপূরণ দেবো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, তারা তাৎক্ষনিকভাবে এসে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছে। এছাড়া স্থায়ী বাঁধের জন্য ৫’শ কোটি টাকার টেন্ডার করেছি যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।
পানি কমতে থাকায় টাঙ্গাইলের বেলটিয়াবাড়ি এলাকায় যমুনার ভাঙনে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় অন্তত ৩০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com