জনগনের অর্থায়নে সংষ্কারের চেষ্টা তাড়াশ-হামকুড়িয়া রাস্তার চলাচলের অনুপযোগী!! জনদূর্ভোগ চরমে
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৩ অপরাহ্ন

  

জনগনের অর্থায়নে সংষ্কারের চেষ্টা তাড়াশ-হামকুড়িয়া রাস্তার চলাচলের অনুপযোগী!! জনদূর্ভোগ চরমে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ
১১-১০-২০১৯ ০৫:০৭ অপরাহ্ন
জনগনের অর্থায়নে সংষ্কারের চেষ্টা তাড়াশ-হামকুড়িয়া রাস্তার চলাচলের অনুপযোগী!! জনদূর্ভোগ চরমে
এম এ মাজিদ :চলনবিলের বুকচিরে বয়ে যাওয়া দেশের দক্ষিনাঞ্চল হতে অল্প খরচে স্বল্প সময়ে উত্তারাঞ্চলে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক, সিরাজগঞ্জে তাড়াশ উপজেলার রানীর হাট-হামকুড়িয়া ভায়া তাড়াশ রাস্তার তাড়াশ-রানীর হাট অংশে ১৭ কিলোমিটার রাস্তার টেন্ডার হয়ে এ বছরেই সংষ্কার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু রাস্তাটির অপর অংশ তাড়াশ-হামকুড়িয়া সড়কের সাড়ে আট কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন সংষ্কার না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ রাস্তাটি সচল হলে চাটমোহর ও গুরুদাসপুর উপজেলার সাথে সহজ যোগাযোগ সম্ভব হবে। কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটির অবস্থা এতোই শোচনীয় যে, খোদ সড়ক বিভাগই বলছে বড় বাজেটের প্রকল্প ছাড়া সংষ্কার করা আদৌ সম্ভব নয়। নিরুপায় হয়ে এলাকাবাসী নিজেদের অর্থায়ণে মান্নানগর বাজার অংশ সম্প্রতি সংষ্কার করে কোনমতে রাস্তাটি সচল রেখেছেন। সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, পাবনা,সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া জেলার সাথে সহজ আন্ত:যোগাযোগের জন্য ১৯৮৫ সালে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। এরমধ্যে সিরাজগঞ্জ অংশে রয়েছে সাড়ে ২৫ কিলোমিটার। চলতি বছরে রাস্তাটির উত্তরাংশের তাড়াশ-রানীহাট সড়কের ১৭ কিলোমিটার প্রশস্তকরণ,মজবুতকরণ ও মেরামতের উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ(সহজ)। এ লক্ষ্যে জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে দরপত্র আহবান করা হলে ৩০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যায়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে কার্যাদেশ দেয়া হয়। এবং ২৫ মে থেকে কাজ শুরু করে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু রাস্তাটির দক্ষিণ অংশ তাড়াশ-হামকুড়িয়া সড়কটি দীর্ঘদিন সংষ্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যারফলে তাড়াশ দক্ষিণ ওয়াবদাবাঁধ,ঘরগ্রাম,দোবিলাবাজার ও মান্নাননগর এলাকার লোকজন ঘুরে মহিষলুটি এলাকা দিয়ে তাড়াশ সদরে চলাচল করে থাকেন। এ প্রসঙ্গে দোবিলা গ্রামের বাসিন্দা প্রভাষক নূরুজ্জামান ফণি বলেন, তাড়াশ-হামকুড়িয়া রাস্তাটি বর্তমানে পরিত্যাক্ত। এ রাস্তা দিয়ে যান চলাচল তো দুরের কথা ,মানুষের পায়ে হেঁেট চলাই দুষ্কর। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের দক্ষিণপাশে মান্নাননগর বাজার এলাকা প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা খানা খন্দে আর জলাবদ্ধতায় একাকার। বাজারের স্বার্থে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই টাকা তুলে ইট বালি কিনে এনে রাস্তাটি সংষ্কার করার চেষ্টা করছেন। হামকুড়িয়া চৌরাস্তা বাজার কমিটির ক্যাশিয়ার ফজলুর রহমান বলেন, রাস্তা সংষ্কারের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে বারবার আবেদন করেছি। কিন্তু কোন সাড়া না পেয়ে বাজারের স্বার্থে আমরাই চাঁদাহাড়ি তুলে রাস্তাটি সচল রাখার চেষ্টা করছি। ওই বাজারের ব্যবসায়ী মো:এরশাদ আলী বলে, ওই রাস্তার পাশেই আমার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। রাস্তা এতোই খারাপ যে, প্রতিদিনই লোকজন কোন কোন দূর্ঘটনার শিকার হোন। তাই এলাকাবাসীর জোর দাবী রাস্তাটি জরুরি ভিত্তিতে সংষ্কার করে চলাচলের উপযোগি করা হোক। এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, সত্যি কথা বলতে কি রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা এতোই খারাপ যে, বড় বাজেটের প্রকল্প ছাড়া মেরামত সম্ভব নয়। আর আগামী জুন মাসের আগে এ রাস্তা সংষ্কারের কোন সম্ভাবনাও দেখছি না।

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ১১-১০-২০১৯ ০৫:০৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 348 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com