আখ চাষ করেই মূলত এমন ভাগ্যের পরিবর্তন
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০৭:২২ অপরাহ্ন

  

আখ চাষ করেই মূলত এমন ভাগ্যের পরিবর্তন

নিউজরুম
২৮-০৯-২০১৯ ১২:৪৪ অপরাহ্ন
আখ চাষ করেই মূলত এমন ভাগ্যের পরিবর্তন

রাজশাহীর দুর্গাপুরে বাণিজ্যিকভাবে আখ চাষ করে অন্তত শতাধিক চাষি তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। বিগত পাঁচ বছর থেকে আখ চাষ করেই মূলত এমন ভাগ্যের পরিবর্তন দেখা গেছে। 

বর্তমানে চাষিদের কাছে আখ এখন অর্থকরী ফসল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই উপজেলায় একসময় আখ চাষের কোনো ছোঁয়া ছিল না। গত পাঁচ বছর থেকে চিবিয়ে খাওয়া আখ চাষ করতে দেখা গেছে চাষিদের। এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করে বছরে এক থেকে দেড় লাখ টাকা আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন চাষিরা। 

আখ চিনি ও গুড় তৈরির জন্য প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমাদের দেশে মেশিনের সাহায্যে রস করে এবং চিবিয়ে খাওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে আখ ব্যবহার হয়ে থাকে। দেশের প্রায় শতভাগ মানুষের কাছেই চিবিয়ে খাওয়ার অন্যতম প্রিয় হচ্ছে আখ। আখের রসে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, এবং রিবোফ্লাবিন ও ক্যাটরিন বিদ্যামান। এটি অধিক পুষ্টিকর ও উচ্চ ক্যালরি-সম্পন্ন হওয়ায় ক্লান্তি বিমোচন এবং তাৎক্ষণিক শক্তি যোগাতে আখের রসের কোনো বিকল্প নেই। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, অন্যান্য ফসলের তুলনায় আখের চাষ অধিক পরিমাণে লাভজনক হওয়ায় বেশ কয়েক বছর থেকে দুর্গাপুর উপজেলাজুড়ে দিন দিন আখের চাষ বেড়েই চলেছে। বর্তমানে দুর্গাপুর উপজেলার বাজারগুলোতে দেখা গেছে বাণিজ্যিক হারে আখ বিক্রি। এই আখ হস্ত ও ইঞ্জিলচালিত মাড়াইকলে আখের রস ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি চিবিয়ে খাওয়া থেকেও পিছিয়ে নেই আখ প্রিয় মানুষ। উপজেলা বিভিন্ন বাজারে প্রতিটি আখ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। আর রস বিক্রি হচ্ছে প্রতি গ্লাস ১০ টাকা। 

উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের আখ চাষি বজলুর রহমান বলেন, স্বল্প পুঁজিতে কেবলমাত্র আখ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। তিনি দুই বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন। তার মতো এ উপজেলায় অন্তত শতাধিক স্বাবলম্বী আখ চাষি রয়েছে বলে জানান তিনি। 

দুর্গাপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের সাবলম্বী আখ চাষি আব্দুর রহিম বলেন, এক বিঘা জমিতে সার, বীজতলা তৈরি, রোপণ, পরিচর্যা থেকে শুরু করে আখ কাটা পর্যন্ত খরচ হয় প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আর একবিঘা জমি থেকে উৎপাদিত আখ বিক্রি করে পাওয়া যায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তিনি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের পরামর্শ নিয়ে নিজস্ব ১ বিঘা ও লিজকৃত প্রায় ৩ বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন। তিনি গত প্রায় ৪ বছর থেকে বাণিজ্যিকভাবে আখ চাষ করে আসছেন। 

দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মসিউর রহমান বলেন, এ উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে আখ চাষ করে অনেক চাষিই স্বাবলম্বী হয়েছেন।


নিউজরুম ২৮-০৯-২০১৯ ১২:৪৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 481 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com