বজ্রপাতে ২৪৬ জনের মৃত্যু চলতি বছর
০৭ মে, ২০২৬ ০২:৩২ পূর্বাহ্ন

  

বজ্রপাতে ২৪৬ জনের মৃত্যু চলতি বছর

নিউজরুম
০৮-০৯-২০১৯ ০৬:১৮ অপরাহ্ন
বজ্রপাতে ২৪৬ জনের মৃত্যু চলতি বছর

 গত ৭ মাসে সারাদেশে বজ্রপাতে ২৪৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এসময়ে বজ্রাঘাতে আহত হয়েছেন ৯৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৩০ জন নারী, ৬ জন শিশু, ৮ জন কিশোর-কিশোরী এবং ২০২ জন পুরুষ রয়েছেন। দেশের জাতীয় এবং আঞ্চলিক দৈনিক, প্রসিদ্ধ অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে বজ্রপাতে হতাহতের এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেভ দ্য সোসাইটি এ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম নামে একটি সংগঠন তাদের সংবাদ সম্মেলেন এসব তথ্য প্রকাশ করে। সংগঠনটি বজ্রপাতে হতাহত শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে পরিসংখ্যান দেয়, ফেব্রুয়ারি মাসে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ১ জন নারী রয়েছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে আহত হয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪, নারী ২ এবং কিশোর-কিশোরী রয়েছে ২ জন।

মার্চ মাসে নিহত হয়েছেন ৫ জন। এর মধ্যে ৩ জন পরুষ ও ২ জন শিশু রয়েছে। এ মাসে আহত হয়েছেন ৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ জন এবং শিশু রয়েছে ২ জন। এপ্রিল মাসে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭ জন পুরুষ, ২জন নারী ও ১ জন কিশোর-কিশোরী রয়েছেন। এ মাসে আহত হয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ জন এবং নারী ১ জন। বৈরি আবহাওয়ার কারণে মে মাসে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক। মে মাসে ব্রজপাতের আঘাতে মারা গেছেন ৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৮ জন, নারী ৮ জন, শিশু ১ জন এবং কিশোর-কিশোরী ৩ জন। এ মাসে ২৪ জন আহত হয়েছেন। তার মধ্যে পুরুষ ১৫ জন, নারী ৭ জন ও শিশু রয়েছে ২ জন।

একইকারণে জুন মাসে নিহতের সংখ্যাও অনেক বেশি। সংগঠনটি জানায় সে সংখ্যা ৬৬। এর মধ্যে নারী ১১ জন, শিশু ৩ জন, কিশোর-কিশোরী ২ জন এবং ৫০ জন পুরুষ রয়েছেন। এ মাসে আহত হয়েছেন ১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ জন, নারী ২ জন, শিশু ৩ জন এবং কিশোর-কিশোরী ১ জন। জুলাই মাসে মোট নিহত হয়েছেন ৪৭ জন। এর মধ্যে নারী ৪ জন এবং ৪৩ জনই পুরুষ। এ মাসে আহত হয়েছেন ২৫ জন। এর মধ্যে ২ জন নারী এবং ২৩ জনই পুরুষ রয়েছে। এছাড়া আগস্ট মাসে বজ্রপাতে মোট ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪ জন নারী, ২ জন কিশোর-কিশোরী ও ৩১ জন পুরুষ রয়েছে। এছাড়া এ মাসে আহত হয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী, ১ জন শিশু ও ১ জন কিশোর কিশোরী রয়েছেন।

পরিসংখ্যানে আরও প্রকাশ, বাংলাদেশে বজ্রপাতে এ বছর সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলায়। এ জেলায় চলতি বছরে ২২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, কিশোরগঞ্জ, পাবনা, সুনামগঞ্জ, কক্সবাজার, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল জেলায় বজ্রপাতে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের সময় ধান কাটতে গিয়ে ক্ষেতে বজ্রপাতের শিকার হয়ে সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এর পর বেশি নিহত হয়েছে বজ্রপাতের সময় মাছ ধরতে গিয়ে। এছাড়া মাঠে গরু আনতে গিয়ে এবং টিন ও খড়ের ঘরে অবস্থান ও ঘুমোনোর সময় বজ্রাঘাতে বেশি মানুষ মারা গেছে। বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় অজ্ঞতাবসত লম্বা গাছের নিচে আশ্রয় নেয়ার সময় গাছে বজ্রপাত হওয়ায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

সেভ দ্য সোসাইটি এ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের সেক্রেটারি রাশিম মোল্লা, গবেষণা সেল নির্বাহী প্রধান আব্দুল আলীম, সহ সভাপতি সোহেল রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য মাসুদ রানা প্রমুখ।


নিউজরুম ০৮-০৯-২০১৯ ০৬:১৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 305 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com