শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সলংগা ০১-০৯-২০১৯ ১১:২৪ পূর্বাহ্ন |
সলঙ্গা প্রতিনিধি ঃ বাংলার কৃষক সোনালি আঁশের সঙ্গে জড়িত, সেই শিশু কাল থেকে আজ অবধি। গ্রামের প্রায় প্রতিটি মানুষের সঙ্গে সোনালি আঁশ পাট যেন শৈশব সুত্রে গাঁথা। বকুল তলার কালিদহ নদীতে পাট গাছ থেকে আঁশ ছাড়াতে ছাড়াতে গুনগুনিয়ে গান গাইছিলেন এমনি এক চাষী। সলঙ্গা থানার ৬টি ইউনিয়নে এবার পাটের ফলন সন্তোষজনক। সলঙ্গা ইউনিয়নের চরবেড়া, নাইমুড়ী, ভেংড়ী, রুয়াপাড়া, পুস্তিগাছা ও বওলাতলা গ্রামের পাটের ফলনে কৃষকের মুখে হাঁসি।
দাদনপুর গ্রামের পাট চাষী হযরত আলী, হরিণচড়ার শরিফুল ইসলাম, সাহেবগঞ্জের ইনছান আলী, মালতিনগরের জুলফিকার আলী, জনজালীপাড়া গ্রামের গ্যাদন শেখ সহ অনেকেই জানান, এপ্রিল-মে মাসের পাট বোনা হয়। পাটগাছ ২/৩ ইঞ্চি হওয়ার পর নিড়ানী দিতে হয়। কাটা হয় ৫/৭ ফুট লম্বা হওয়ার পর। তারপর ১৫/১৬ দিন পানিতে ডুবিয়ে রেখে পঁচানো পাট গাছ থেকে ছাড়ানো হয় সোনালি আঁশ। হোড়গাতি গ্রামের কৃষক ফজলার রহমান জানান, এ বছর আমাদের শ্রম স্বার্থক হয়নি। বর্তমান সলঙ্গা বাজার সহ থানার বিভিন্ন হাট বাজারে দেশী পাট ১৫০০-১৬০০ টাকা এবং তোষা পাটের বাজার ১৭০০-১৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
প্রথম দিকে একটু বেশী হলেও বর্তমানে প্রতি মন ১৫/১৬ শত টাকা হওয়ায় খরচ ওঠাই কঠিন বলে অনেকে জানায়। দবিরগঞ্জ কচিয়ার বিলে ছব্দের আলী, কাঞ্চনবেওয়া, মেজাতন নেছা ও বোয়ালিয়া বিলের পাট ধোয়া জাফর আলী, এনাম, মকবুল, ছোরমান, জফের বলেন, প্রায় ১০/১৫ বছর ধরে পাট ধোয়া কামলার কাজ করছি। প্রতিদিন সামান্য মজুরি পাই। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। পাঁচলিয়া বাজারে পাট কাঠি (সোলা) কিনতে আসা অনেক ক্রেতা পাটের চেয়ে সোলার দাম বেশী বলে জানায়। সব মিলে বর্তমান বাজারে পাটের মুল্য সন্তোষজনক হওয়ায় এবার কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com