শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০২-০৮-২০১৯ ০৫:২৬ অপরাহ্ন |
জানা যায়, গরু মোটাতাজাকরণ একটি নিয়মিত ও প্রচলিত পদ্ধতি। বিশেষ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত ইউরিয়া, লালিগুড় ও খড়ের একটি বিশেষ মিকচার আট দিন কোন পাত্রে বন্ধ করে রেখে তা রোদে শুকিয়ে গরুকে খাওয়াতে হয়। তিন মাস এটা খাওয়ালে গরু খুব দ্রুত মোটাতাজা হয়ে ওঠে। এই গরুর মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।
তাড়াশ উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা: মো: আবু হানিফ জানান, তাড়াশ উপজেলায় তাদের হিসাব মতে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার খামারী রয়েছেন। তাছাড়া জরিপের বাহিরে অনেক খামারি রয়েছেন যা হিসাবে নেই।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে এ উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার গরু দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করন করছেন খামারীরা। এ উপজেলায় প্রায় ৫হাজার গরুর চাহিদা রয়েছে। এখানে চাহিদা মিটিয়ে এ উপজেলার গরু দেশে বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করা হয়। অন্যান্য বছরের বিভিন্ন মেডিসিন ব্যবহার করে গরু মোটাতাজা করনের ফলে খামারিরা অনেক গরু মারা যাওয়াসহ বিভিন্ন ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। এ কারনে এখন তারা নিজেরাই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com