শিরোনামঃ
রায়হান আলী, করেসপন্ডেন্ট(উল্লাপাড়া) ২৮-০৬-২০১৯ ০৪:১১ অপরাহ্ন |
উল্লাপাড়া প্রতিনিধিঃ প্রায় ৯ বছর আগে উল্লাপাড়ায় একটি নদীর উপর ব্রিজটি নির্মান করা হয়েছে। এই ব্রিজটি নির্মানে ব্যয় হয়েছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা। ব্রিজটির এক পাশে মাত্র আড়াইশ ফুট সরকারি সড়ক পতথ নেই। ব্রিজ নির্মানের ৯ বছরেও সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্তমানে ব্রিজটি অকেজো হয়ে যাচ্ছে। আর গড়ে ওঠেনি সড়ক পথে আন্তঃ ইউনিয়ন সরাসরি ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা।
বিগত সময়ে এলজিইডি থেকে ব্রীজটির মুখ থেকে একটি পাকা সড়ক নির্মানে নেয়া উদ্যোগ থেমে থেকেছে। এখন আবারোও এ উদ্যোগ নেয়ার বিষয়ে এলজিইডি থেকে জানানো হয়।
উল্লাপাড়া উপজেলার নাগরৌহা গ্রাম এলাকায় কচুয়া নদীর উপর বিগত ২০১০ সালে ৩৬ মিটার দীর্ঘ ব্রীজ নির্মান করা হয়। প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে স্থানীয় এলজিইডি থেকে ব্রীজটির নির্মান কাজ বাস্তবায়ন করেছে।
সদর উল্লাপাড়া ইউনিয়নের নাগরৌহা উত্তরপাড়া হয়ে পূর্নিমাগাঁতী ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক পথের সহজ ও সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে এ ব্রীজটি নির্মান করা হয়। পূর্নিমাগাঁতীতেই রয়েছে সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
ব্রীজটির উত্তর পাশের মুখ থেকেই প্রায় আড়াইশ ফুট সড়ক পথ নেই। এ অংশটুকু বাদে আবার সরকারি দীর্ঘ সড়ক পথ পূর্নিমাগাঁতী ইউনিয়নের পুকুরপাড় গ্রামের পাকা সড়কে মিশেছে। আরেক সড়ক পথ নাগরৌহা উত্তরপাড়া থেকে বাখুয়া ফকিরপাড়া পর্যন্ত রয়েছে। এ ব্রীজ হয়ে পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের পুকুরপাড়, বেতুয়া, ছয়বাড়িয়া, ফলিয়া, নাগরৌহা উত্তরপাড়া, ফকিরপাড়া বিভিন্ন পেশার লোকজন উপজেলা সদরে আসা যাওয়া করেন। সরকারি সড়ক পথটুকু না থাকায় জনগন নদী পাড় এবং ব্রীজটির পশ্চিমপাশে বসতবাড়ির উঠান হয়ে চলাচল করে থাকেন। এ পথে সহজে মালামাল নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারেনা। এ ব্রীজটি নির্মানের পর বিগত সময়ে স্থানীয় এলজিইডি থেকে নাগরৌহা উত্তরপাড়া হয়ে পাকা সড়ক নির্মানে একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও তার আর বাস্তবায়ন হয়নি।
নাগরৌহা উত্তরপাড়া ও অন্যান্য গ্রামের বেশ কথজন জানান, এ সড়ক পথ পাকাকরণ না করায় সহজ ও সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। নাগরৌহা গ্রামের আমজাদ হোসেন জানান, ব্রীজটির মুখ থেকে পূর্ব পাশে নদী পাড় হয়ে সড়ক নির্মান করা হলে পুরো সড়ক পথের সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হবে। তার নিজ বসতবাড়ির উঠান দিয়ে সাধারণ জনগন চলাচল করে থাকে।
তিনি মানবিক কারণে এতে কোন বাধা দিতে পারেন না। একই গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ বেলাল হোসেন জানান, ব্রীজটির মুখ থেকে পুকুরপাড় পাকা সড়ক পর্যন্ত পুরো সড়ক পথ পাকা করণ করা এলাকার সবশ্রেণির পেশার লোকজনের একান্ত চাওয়া।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, ব্রীজটির মুখ থেকে নদী পাড় হয়ে সড়ক নির্মানের বিষয়টি তার বিভাগ থেকে সরেজমিনে গিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এর পাশাপাশি ব্রীজটির মুখ থেকে পুকুরপাড় পর্যন্ত পুরো সড়ক নিয়ে একটি প্রকল্প তৈরি এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নে তার বিভাগ থেকে জোড়ালো উদ্যোগ নেয়ার বিষয়ে জানান।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com