শিরোনামঃ
নিউজরুম ১৮-০৬-২০১৯ ০৬:৩৩ অপরাহ্ন |
মো. আব্দুল বাতেনঃ শ্রীবরদীতে দূর্নীতিবাজ সাব-রেজিস্ট্রারের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শ্রীবরদী দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে শ্রীবরদী সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস সংলগ্ন রাস্তায় ওই মানববন্ধন পালন করা হয়।
জানা গেছে, দলিল নিবন্ধনের সেরেস্তা (অফিস) খরচ নিয়ে সাবরেজিস্ট্রারের সঙ্গে দলিল লেখকদের দ্বন্দ্বের কারণে সপ্তাহ যাবত জমির দলিল নিবন্ধন বন্ধ রয়েছে। ফলে জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাঁরা জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারছেননা। অপরদিকে দলিল নিবন্ধন না হওয়ায় সরকারি হারাচ্ছেন রাজস্ব। গত মঙ্গলবার থেকে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দলিল লেখক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর সাবরেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান ভূইয়া গত মঙ্গলবার অফিসে প্রথম আসেন। এরপর তিনি দলিল নিবন্ধনের সেরেস্তা (অফিস) খরচ বাবদ পূর্বের দুই হাজার টাকার পরিবর্তে সাড়ে তিন হাজার টাকা দাবি করেন।
কিন্তু দলিল লেখকেরা এই বাড়তি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সাবরেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান ভূইয়া জমির নিবন্ধন কাজ বন্ধ রাখেন। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং অনেকেই জমির নিবন্ধন না করে বাড়ি ফিরে যান। শ্রীবরদী দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. দুলাল মিয়া বলেন, গত মঙ্গলবার সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেরেস্তায় নিবন্ধনের জন্য দলিল লেখকেরা দলিলের কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু সাবরেজিস্ট্রার আগের চেয়ে সেরেস্তা (অফিস) খরচ বেশি চাওয়ায় ও দলিল লেখকেরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি (সাবরেজিস্ট্রার) দলিল নিবন্ধন করা বন্ধ রেখেছেন। দলিল লেখক বদরুজ্জামান সবুজ বলেন, আব্দুর রহমান ভূইয়া এ অফিসে যোগদান করার পর থেকেই বিভিন্ন দুর্নীতি ঘোষ বাণিজ্য করে আসছে। তাই আমরা এ সাবরেজিষ্ট্রারের অপসারণের দাবী জানাই।
সাবরেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান ভূইয়া বলেন, দলিল লেখকদের কাছে সঠিক কাগজ পত্র চাওয়ায় তারা দলিল লেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। আমি এখনও দলিল করার জন্য এজলাসে বসে আছি। দলিল লেখকরা আমাকে অফিসে রেখেই চলে গেছেন। দলিল লেখকদের জন্য সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com