ঠিকাদারের গাফলতিতে সায়দাবাদ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:১১ অপরাহ্ন

  

ঠিকাদারের গাফলতিতে সায়দাবাদ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
০৯-০৫-২০১৯ ০৮:২০ অপরাহ্ন
ঠিকাদারের গাফলতিতে সায়দাবাদ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ
জহুরুল ইসলামঃ ঠিকাদারের গাফলতির কারণে সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ করেছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এতে মানব জীবনে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ দিন সড়কটি সংস্কারের অভাবে এ অঞ্চলের মানুষ কষ্ট ভোগ করে আসছিল। কিন্তু ৬ মাস পূর্বে এই আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় বেশ আনন্দিত যাত্রী সাধারণত সহ এ অঞ্চলের মানুষ। কাজের ধীরগতি হলেও মানুষের মনে আশা ছিল কোন একদিন সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হবে। কিন্তু প্রায় ৩ সপ্তাহের অধিক  সময় ধরে এই সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে আছে। সড়ক সংস্কার কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোন লোক জনের দেখা মিলছে না। এমতবস্থায় মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগ। যানবহন চলাচল ব্যহত হচ্ছে।প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা ধরানের দূর্ঘটনা। শুধু তাই নয় সড়কের ধূলাবালির কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। রফিকুল, ইউনুস আলী সহ একাধিক  যাত্রী জানায়, আমরা এই সড়কের যাতায়াতের কষ্ট আর সইতে পারছি না। বাহিরে বের হলে যানবাহনের লক্কর-ঝক্কর ঝাকুনিতে আমাদের শরীর ব্যাথা হয়ে যায়। আর তাছাড়া ধূলাবালিতে নাক মুখ জাম হয়ে আসে। জানি না আমাদের এই কষ্ট কতদিন আর সইতে হবে। তবে আমরা সড়ক সংস্কারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে করজোড়ে অনুরোধ করছি দ্রুত আমাদের এই সড়ক সংস্কার কাজ শেষ করে আমাদের জীবনে প্রশান্তি ফিরিয়ে দিন। এদিকে সড়কের সংস্কার কাজ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বর্তাধিকারী মীর হাবিবুল আলম জানান, আমরা ইচ্ছা করে এই সংস্কার কাজ বন্ধ রাখিনি। সাব ঠিকাদার সিডিউল অনুযায়ী পেমেন্ট নেওয়ার কথা থাকলে সে নিয়ম বর্হিভূত ভাবে পেমেন্ট দাবি করে। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় সে আমার কর্মচারীদের হুমকি দেয়। আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার চেয়ে ওখান থেকে চলে আসাই ভালো তাই কাজ বন্ধ করে চলে এসেছে। অপরদিকে সাব ঠিকাদার রফিকুল ইসলাম রফিক জানায়, আমি এই সড়ক সংস্কার কাজের সাব ঠিকাদার হিসাবে তার সাথে কাজ করে আসছি। কিন্তু কাজ শেষে পেমেন্ট চাইলে তারা তাল বাহানা করতে থাকে। আর লোক মুখে জানতে পারি সে আমার পেমেন্ট না দিয়ে চলে যাবে। তাই আমি তাকে বলেছি আমার পেমেন্ট দিয়ে কাজ করতে পারবেন না। পাওনা টাকা দাবী করাতে তারা টাকা না দিয়ে কাজ বন্ধ করে পালিয়ে চলে গেছে।  সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম তালুকদার জানান, আমি জানতে পেরেছি দুই ঠিকাদারের মধ্যে মতবিরোধের কারণে সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে আছে। তবে খুব তারাতাড়ি তা নিরসনের মাধ্যমে আবার কাজ শুরু করা হবে।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ০৯-০৫-২০১৯ ০৮:২০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 1288 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com