শিরোনামঃ
রায়হান আলী, করেসপন্ডেন্ট(উল্লাপাড়া) ০৮-০৫-২০১৯ ০৩:২৭ অপরাহ্ন |
উল্লাপাড়া প্রতিনিধিঃ উল্লাপাড়ায় আগাম বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম নেই। এখন একজন ধান কাটা শ্রমিকের মূল্য একমন ধানের মূল্যের চেয়েও বেশি। বর্তমান বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে ৫থশ থেকে ৫থশ ৫০ টাকা মন ধরে। ধানের দর পড়ে যাওয়ায় জোতদারদের মাথায় হাত উঠেছে। লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
উল্লাপাড়ার পূর্ব দেলুয়া গ্রামের জোতদার শফিকুল ইসলাম ঠান্ডু জানান, এ বছর তিনি ১০ বিঘা জমিতে আগাম ব্রি-২৮ জাতের ধানের চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই মাঠে ধান পেকে গেছে। কিন্তু ধান কাটা শ্রমিকের অভাবে এদের শ্রম মূল্য বেড়ে গেছে প্রায় দ্বিগুন। বর্তমানে ৫থশ থেকে ৬থশ টাকা মজুরিতে ধান কাটা শ্রমিক মিলছে। কিন্তু বাজারে নতুন ধানের দামও কম। গত ২ দিন ধরে উল্লাপাড়ার বিভিন্ন নতুন ব্রি-২৮ ধান বিক্রি হচ্ছে মন প্রতি ৫থশ থেকে ৫,শ ৫০ টাকা। এতে ধান কাটার মূল্য হিসেব করলে তাকে এবছর ব্যাপক লোকসান গুনতে হবে বলে উল্লেখ করেন ঠান্ডু।
উপজেলার বেতবাড়ী গ্রামের ধান চাষী আব্দুল মজিদ জানালেন, দ্বিগুন মূল্যে শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে ধান কাটতে গিয়ে প্রচুর লোকসান দিচ্ছেন তিনি। এ বছর তার উৎপাদন খরচই উঠবে না। তারপরেও কৃষি তাদের পেশা হওয়ায় নিরুপায় হয়ে লোকসান দিয়েই তাকে ক্ষেতের ধান কাটতে হচ্ছে।
উল্লাপাড়ার পশ্চিম সাতবাড়িয়া গ্রামের ধান কাটা শ্রমিক আব্দুল হামিদ ও নজরুল ইসলাম জানালেন, এবার ধান কাটার কাজ করে তারা বেশ খুশি। গেল বছরগুলোর তুলনায় এবার প্রায় দ্বিগুণ মজুরি পাচ্ছেন তারা। পুরো ধানের মৌসুমে এই মজুরি থাকলে ধান কাটা শ্রমিকরা উপকৃত হবেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকতার্ কৃষিবিদ খিজির হোসেন প্রামানিক জানান, ধানের মূল্য কমে যাওয়ায় সত্যিকার অর্থে ধান চাষিরা সমস্যায় পড়েছেন। হিসেব করলে এখন তাদের ধান থেকে পাওয়া খড়ই লাভ বলে ধরতে হবে। তবে দুথদিন পরে ধানের বাজার উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কৃষি কর্মকর্তারা।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com