শিরোনামঃ
নিউজরুম ২৭-০৪-২০১৯ ০৪:০৭ অপরাহ্ন |
মো. আব্দুল বাতেনঃ শ্রীবরদীর উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে খাড়া পাহাড়ের টিলা কেটে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠছে। এতে ভূমি ধ্বস ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্ক রয়েছে বলে বিভিন্ন মহলের আপত্তি। ১নং সিংগাবরুনা ইউনিয়নের বাবেলাকোনা, হারিয়াকোনা ও চান্দাপাড়া নামক এলাকায় এর বাস্তব চিত্র দেখা যায়। সেখানে উচু পাহাড়ের খাড়া টিলা কেটে দীর্ঘ দিন থেকে এ ধরনের ঘর বাড়ি নির্মাণ করছে। যা এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের দৃষ্টির অগোচরে রয়েছে। চান্দাপাড়া গ্রামের মৃত মোজাফফর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি হারুন মিয়ার কাছে আশি হাজার টাকার বিনিময়ে ৪০ শতাংশ জমির দখল কিনে এখানে বসত বাড়ি করেছি। পাহাড়া কাটা নিষেধ তাহা জানা স্বত্বেও আপনি পাহাড় কেটেছেন কে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমরা গরীব মানুষ জায়গা সম্পত্তি নাই তাই পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণ করেছি। শুধু আমি না এখানে প্রায় ৪০-৫০টি পরিবার রয়েছে, তারা সবাই পাহাড় কেটে বসত বাড়ি করেছে। একই গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা আ: জুব্বার বলেন, আমরা স্থানীয় মৃত সুলে মাহমুদের ছেলে আছলামের কাছ থেকে দুই লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকার দিয়ে ২৫ শতাংশ জমির দখল কিনে বাড়ি করেছি। এভাবে একটি চক্র পাহাড় দখল করে পাহাড়ের টিলা কেটে বসত বাড়ি নির্মাণের উপযোগী করে অন্যত্র বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে অদৃশ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয়রা জানান, দিনের পর দিন যেভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে এতে আমাদের পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধ্বসের শঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে ১নং সিংগাবরুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. রেজ্জাক মজনু বলেন, পাহাড় কাটার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে পাহাড় কাটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক। সহকারী বন সংরক্ষক প্রান্তোষ রায় বলেন, পাহাড় কাটা ঠিক নয়, তবে কেউ বসত বাড়ি নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেঁজুতি ধর বলেন, পাহাড় কাটা নিষিদ্ধ। পাহাড় কেটে কেউ বসত বাড়ি নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com