শিরোনামঃ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০৯-০৪-২০১৯ ০৩:০০ অপরাহ্ন |
এম এ মাজিদঃ শস্য ভান্ডারখ্যাত চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বোরো আবাদে ধান কাটার পুর্বেই আগাম জাতের মিনিকেট ধানে চিটা দেখা দিয়েছে। সেচ সারের সঠিক প্রয়োগ ও কোন প্রকার রোগ-বালাই মুক্ত সোনালী ধানে হটাৎ চিটা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ফলন বিপর্যয়ের আশংকা স্থানীয় কৃষকদের। এদিকে কৃষক আক্রান্ত জমিতে বিভিন্ন ধরনের বালাইনাষক ব্যবহার করেও তাতে কাজ না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ।
কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে তাড়াশ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল উপজেলা কৃষি বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু আগাম জাতের মিনিকেট ধানে দেখা দিয়েছে ধান কাটার পুর্বেই ধানের শীষে চিটা।
বারুহাঁস ইউনিয়নের লাউশন গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান জানান, এ বছর তাড়াশে মাঠ জুড়ে ধান গাছের চেহারা ভালো ছিল। আর কয়েকদিন পরেই আগাম জাতের মিনিকেট ধান পেকে যাওয়ার কথা। আশা ছিল ভালো ফলনও হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই মিনিকেট ধান পেকে ওঠার পূর্বেই চিটা দেখা দিয়েছে।
উপজেলার বারুহাঁস ইউনিয়নের চৌবাড়ীয়া, কুসুম্বী, খরখড়িয়া, বিনোদপুর এলাকার একাধিক বোরো চাষী জানান , তাদের আক্রান্ত জমিতে বিভিন্ন কোম্পানীর নানা নামের বালাইনাষক দিয়েছেন তারা । কিন্ত মিনিকেট জাতের ধান গাছের শিষ গুলো কালো এবং শিষের ধানগুলো চিটা দেখা যাচ্ছে ।
বিনসাড়া গ্রামের কৃষক মো. ইব্রাহীম হোসেন ও জয়ন্ত কুমার বলেন, গত কয়েকদিনের ঝড়-আবহাওয়ার পর পরই ধানক্ষেত গুলোতে দেখা যাছে এমন চিটা রোগ সমস্যা। এতে করে ফলন বিপর্যয় হবে তা নিয়ে হতাশা বোধ করছি।
ধানের চিটা রোগ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সময়ে বিরুপ আবহাওয়া ও ঝড়ো বাতাসের ফলে মিনিকেট জাতের ধানের কিছু জমিতে এমন সমস্যা হচ্ছে। তবে কৃষকদের তিনি হতাশ না হয়ে আবহাওয়া রোদ্রজ্বল হলে এ সমস্যা থাকবে না বলে জানান।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com