শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০৮-০৪-২০১৯ ১১:২২ পূর্বাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
খাদ্য শস্যভাণ্ডার খ্যাত চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বোরো আবাদে ধান কাটার আগেই আগাম জাতের মিনিকেট ধানে চিটা দেখা দিয়েছে।
এদিকে কৃষক আক্রান্ত জমিতে বিভিন্ন ধরনের বালাইনাশক ব্যবহার করেও তাতে কাজ না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
কৃষি অদিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে তাড়াশ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ২১ হাজার হেক্টর জমি বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু আগাম জাতের মিনিকেট ধানে দেখা দিয়েছে ধান কাটার আগেই ধানের শীষে চিটা।
বারুহাঁস ইউনিয়নের লাউসন গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান জানান, এ বছর তাড়াশে মাঠ জুড়ে ধান গাছের চেহারা ভালো ছিল। আর কয়েক দিন পরেই আগাম জাতের মিনিকেট ধান পেকে যাওয়ার কথা। আশা ছিল ভালো ফলনও হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই মিনিকেট ধান পেকে ওঠার আগেই চিটা দেখা দিয়েছে।
উপজেলার বারুহাঁস ইউনিয়নের চৌবাড়ীয়া, কুসুম্বী, খরখড়িয়া, বিনোদপুর এলাকার একাধিক বোরো চাষী জানান, তাদের আক্রান্ত জমিতে বিভিন্ন কোম্পানির নানা নামের বালাইনাশক দিয়েছেন তারা। কিন্ত মিনিকেট জাতের ধান গাছের শীষগুলো কালো এবং শীষের ধানগুলো চিটা দেখা যাচ্ছে।
একই এলাকার আরেক কৃষক জয়ন্ত কুমার (৪৫) বলেন, গত কয়েক দিনের ঝড়-আবহাওয়ার পর পরই ধান ক্ষেতগুলোতে দেখা যাছে এমন চিটা রোগ সমস্যা।
ধানের চিটা রোগ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সময়ে বিরূপ আবহাওয়া থাকায় মিনিকেট জাতের ধানের কিছু জমিতে এমন সমস্যা হচ্ছে। তবে আবহাওয়া রোদ্রোজ্জ্বল হলে এ সমস্যা থাকবে না বলে জানান তিনি।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com