শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ১৯-০৩-২০১৯ ০৩:৫০ অপরাহ্ন |
সোহাগ হাসানঃ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের পুরানটেপরী এলাকায় সেতুটির নির্মান কাজ হয় ১৮ বছর আগে। এতে ব্যয় হয় প্রায় ৩৬ লাখ টাকা। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না। জানা যায় ২০০০ সালের দিকে শাহজাদপুর উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে সেতুটি নির্মাণ করে। সেই থেকে গত ১৮ বছরেও পরিত্যক্ত এ সেতুটির দু‘পাশে কোন সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ইতিমধ্যেই সেতুটির রেলিং ভেঙ্গে পড়ছে। অনেক স্থানের খোয়া বালি খসে খসে পড়েছে। এতে পরিত্যক্ত এ সেতুটি এখন এলাকাবাসির কাপড় শুকানোর স্থানে পরিণত হয়েছে। ফলে সেতুটি এলাকাবাসির কোন কাজেই আসছে না।
পুরান টেপরী গ্রামের জুলফিকার আলী জানান, সেতুটির দু‘পাশে সংযোগ সড়ক নির্মণের অভাবে এ এলাকার ১৭টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এ ব্যাপারে চর-নরিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ, সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, সাইদুল ইসলাম, কেয়া খাতুন এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. আব্দুস সেলিম জানান, চর-নরিনা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নরিনা হাইস্কুল, সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজ, সাতবাড়িয়া কারিগরি কলেজ ও চর-নরিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিদিন যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এছাড়া চর-নরিনা বাজার, নরিনা বাজার, সাতবাড়িয়া বাজার ও তালগাছি বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রতিদিন ও সপ্তাহের দুইদিন যাতায়াতে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে সেতুটির নিচ দিয়ে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে পার হতে হয়। তাই অবিলম্বে এ সেতুটির দু‘পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণের জোর দাবি জানান স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে গাড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমূল হুসেইন বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com