৭ মার্চ দিবসকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষের হাতে সহকারি শিক্ষক লাঞ্ছিত
০২ মে, ২০২৬ ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

  

৭ মার্চ দিবসকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষের হাতে সহকারি শিক্ষক লাঞ্ছিত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, টাংগাইল
০৭-০৩-২০১৯ ০৬:৫২ অপরাহ্ন
৭ মার্চ দিবসকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষের হাতে সহকারি শিক্ষক লাঞ্ছিত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণ দিবসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সামনেই অধ্যক্ষ’র হাতে দুই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার নারান্দিয়া স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা যায়, নারান্দিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ৭ মার্চ ভাষণ দিবস উপলক্ষে ওই স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি শিক্ষকদের ছাড়াই এককভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে বক্তব্য দেওয়ায় ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম প্রতিবাদ করেন। এনিয়ে দুজনের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা সহকারি শিক্ষক নজরুল ইসলামকে কিলঘুষি মারেন। এ সময় আরেক শিক্ষক রহিম এগিয়ে এলে তাকেও মারপিট করেন অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়লে তারা দিকবেদিক ছুটে পড়েন।

পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শুকুর মাহমুদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ছাত্র-ছাত্রীদের ছুটি দিয়ে স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকবৃন্দ। স্কুল এন্ড কলেজ চলাকালীন সময়ে শিক্ষকদের মধ্যে অপ্রীতিকর এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে নারান্দিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা শিক্ষক লাঞ্ছিত করার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ৭ মার্চ দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কথা বলে দোয়া করে মাঠের মধ্যে আসলে সহকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম প্রোগ্রাম করলেন বললেন না কেন ? এ বলে আমার ওপর আক্রমন করেন।

এ ব্যাপারে সহকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ৭ মার্চ উপলক্ষে সহকারি শিক্ষকদের না জানিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে এককভাবে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়ায় অধ্যক্ষ মহোদয় আমার সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি আমাকে মারপিট করেন। আরেক শিক্ষক আব্দুর রহিম জানান, ঘটনাটি ফেরাতে গেলে অধ্যক্ষ আমার মুখেও কিলঘুষি মারেন।

নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকুর মাহমুদ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য সভাপতির অনুমতি নিয়ে স্কুল এন্ড কলেজটি ছুটি ঘোষনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রোকেয়া খাতুন বলেন, স্কুল-কলেজে সমস্যা থাকলেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ছুটি দিতে পারেনা একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান। বড় ধরনের ঘটনা ঘটলে পরামর্শ অনুযায়ী নিদের্শক্রমে বন্ধ হতে পারে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, টাংগাইল ০৭-০৩-২০১৯ ০৬:৫২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 285 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com