আদিবাসী নারী শ্রমিকদের বেড়েছে কদর, বাড়েনি মজুরী
০৬ মে, ২০২৬ ১২:২৬ অপরাহ্ন

  

আদিবাসী নারী শ্রমিকদের বেড়েছে কদর, বাড়েনি মজুরী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সলংগা
০৪-০৩-২০১৯ ০৫:০৩ অপরাহ্ন
আদিবাসী নারী শ্রমিকদের বেড়েছে কদর, বাড়েনি মজুরী

সলঙ্গা  প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার পশ্চিম এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, আদিবাসী মাহাতো নারী শ্রমিকদের চলতি ইরি-বোরো চাষের মৌসুমে কদর বাড়লেও মজুরী বাড়েনি। সকাল সন্ধ্যা জমিতে নিড়ানীর কাজ করে তারা পাচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। অপর দিকে একই সঙ্গে কাজ করে একজন পুরুষ শ্রমিক পাচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। শ্যামের ঘণ গ্রামের গোনেশ চন্দ্র মাহাতো জানান, একই সাথে পুরুষ ও আদিবাসী নারী শ্রমিকরা সমান কাজ করেও মজুরীতে বৈষম্য, এটা খুবই দুঃখ জনক। সলঙ্গা থানার ক্ষুদ্র্র শিমলা গ্রামের অনিল চন্দ্র মাহাতো ও নারায়ন চন্ত্র মাহাতো বলেন, সলঙ্গা থানার পশ্চিম এলাকা ক্ষুদ্র শিমলা, চৈত্রহাটি, আগরপুর, কালিকাপুর, আমশড়া, গুপিনাথপুর, শ্যামের ঘোণ সহ প্রতিবেশী তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর, মাধবপুর, বোয়ালিয়া দাশপাড়া, ভিকমপুরে বেশ কিছু আদিবাসী মাহাতো পরিবারের মেয়েরা কৃষি জমিতে প্রত্যক্ষ ভাবে শ্রম দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু বছরের নিদ্রিষ্ট ইরি-বোরো ও রোপা আমন মৌসুম ব্যতিত কৃষি নির্ভর এ বিপুল পরিমান জন গোষ্ঠীকে অলস সময় পার করতে হয়। পরিবারের বেশীর ভাগ লোকজন নিয়ে বেশীর ভাগ সময়ই তাদের অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করতে হয়। অনেকে আবার জীবন বাঁচানোর তাগিদে বিভিন্ন এনজিও হতে ঋণ নিয়ে সর্বশান্ত হন। কিন্তু বর্তমানে ইরি-বোরো মৌসুম ফিরে পেয়ে আবারো তাদের কাজ ফিরে পেয়েছেন। অত্র এলাকার কৃসকরা জানান, বীজ তোলা থেকে ধানের চারা রোপন, নিড়ানী, ধান কাটা, মাড়াই সহ কৃষি সংশ্লিষ্ট কাজে অত্যান্ত পারদর্শী আদিবাসি মাহাতো নারী শ্রমিকরা।


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সলংগা ০৪-০৩-২০১৯ ০৫:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 477 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com