শিরোনামঃ
আব্দুল জলিল ১৮-০২-২০১৯ ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন |
কাজিপুর প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের পূর্ব যমুনায় ড্রেজিংএর বালি নদী মধ্যে স্থানে ফেলার কারণে পঞ্চিম অংশে ভাঙ্গনের ঝুকি বেড়েছে । আসছে বর্ষা মৌসুমের আগে পঞ্চিম অংশের যমুনার পাড় বরাবর মাটি না ফেললে কাজলগ্রাম,পারদোরতা, গোয়ালবাথান,ও সরিষাবাড়ি উপজেলার নলসান্দা গ্রামগুলির অস্থিত হুমকির মূখে পড়ার আশংকা রয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আঃহাই জানান, গত বছর অত্র এলাকায় ব্যাপকভাবে ভাঙ্গন শুরু হয়ে সপ্তাহান্তের ব্যবধানে প্রায় ৭০ টি পরিবারের ঘরবাড়ি, ২শ হেক্টর আবাদী জমি নদী বক্ষে বিলীন হয়ে যায়। পরবত্তিত্বে পরিবারগুলো আবারো নদীপাড়েই নূতনকরে বসতবাড়ি বানিয়ে কোনরকমে মাথাগোজার ঠাই করে আছে। এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চলতি মৌসূমে আগের ভাঙ্গন কবলিত কাজল গ্রামের পূর্বদিকে যমুনা নদী খনন করে খননকৃত বালি ভাঙ্গনকবলিত কাজল গ্রামের প্রায় ৩ শ গজ পূর্বাংশে ফেলছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ মূলভুখন্ড থেকে প্রায় ২-৩ শত গজ পূর্বাংশে বালি পড়ছে। এতে করে পঞ্চিম অংশের মূল ভ’খন্ড থেকে প্রায় ৩শ গজ পর্যন্ত পুর্বদিকে যমুনা গভীর খাদ হয়ে থাকছে। এলাকাবাসি জানান আসছে বর্ষা মৌসুমে ঐ খালি অংশ দিয়ে বর্নার পানি প্রবেশ করবে। শূধু তাই নয় পানি প্রবেশের স্থান কম হওয়ায় ভাঙ্গনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বর আঃমালেক জানান এ অবস্থায় মাটি ফেলা হলে আসছে বর্ষা মৌসুমে পূবর্ যমুনার ভাঙ্গন তরান্বিত হবে।এতে ভাটিতে অবস্থিত কাজল গ্রাম,পারদোরতা,গোয়ালবাথান,নলসান্দা গ্রামগুলির ভাঙ্গনের ঝুকির মধ্যে পড়বে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com