বাগমারায় অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে আবেদন
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৩:০০ অপরাহ্ন

  

বাগমারায় অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে আবেদন

ডেস্ক রিপোর্টঃ
১৩-০৫-২০২০ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
বাগমারায় অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে আবেদন

ডেস্ক রিপোর্টঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় ফসলী জমিতে পুকুর খননে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দিনে ও রাতের আঁধারে অবাধে চলছে পুকুর খনন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ এসব পুকুর খনন বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন অবগত থাকলেও রহস্যজনক কারনে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন না। উপজেলায় কৃষি জমির ধরন পরিবর্তন করে কয়েক বছর ধরেই চলে আসছে অবৈধ ভাবে পুকুর ও দিঘি খনন কার্যক্রম।

সরকারী ভাবে ওইসব অবৈধ খনন বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাঝে মাঝে বন্ধ করলেও এখন পর্যন্ত থেমে নেই খনন কাজ। দিনের বেলা এবং রাতের আঁধারে কয়েকটি ইউনিয়নে এখনো চলছে অবৈধ পুকুর খনন। গতকাল উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের একটি পুকুর খনন বন্ধের জন্য আবেদন করেন এলাকাবাসী।

জানা যায়, চলমান করোনা পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার ঝিকরা, শুভডাঙ্গা ও গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের এক শ্রেনীর প্রভাবশালী নিজ নিজ এলাকায় অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করছেন। শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের কুতুবপুরে নজরুল ইসলাম নামের ব্যাক্তি পুকুর খনন করছেন। খনন কাজ পরিচালনা করছেন মতিউর রহমান নামের এক ইটভাটা মালিক। ওই খনন কাজে উপজেলা প্রশাসন তাকে অনুমতি দিয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ স্বাক্ষরিত একটি কাগজ দেখান তিনি। ওই কাগজের ছবি নিতে চাইলে তা সরিয়ে নেন। ওই খননের জন্য পল্লী বিদ্যুতের একাধিক খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোন সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায়।

অপরদিকে গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের মাড়িয়ার মোড় ও ইউনিয়ন পরিষদের কাছে প্রভাবশালীরা পৃথক দুটি স্থানে অবৈধ ভাবে রাতের আঁধারে পুকুর খনন করছেন। এদিকে গত তিন রাত থেকে ঝিকরা ইউনিয়নের ভানসিপাড়া গ্রামের প্রভাবশালী আসাদুল ইসলাম বাচ্চু অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ এসে অবৈধ খনন কাজ বন্ধ করে গেলেও ওই রাত থেকেই চলছে খনন কাজ।

সোমবার ইউনিয়নের তেগাছি সেনোপাড়া ও ভানসিপাড়া মৌজায় অবৈধ ভাবে ওই পুকুর খনন বন্ধের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষে শতাধিক স্বাক্ষরিত ব্যাক্তি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরে পৃথক ভাবে আবেদন করেন। আবেদন সূত্রে জানা যায়, ওই পুকুর খনন করা হলে আশে পাশের প্রায় পাঁচশ একর ফসলী জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে।

এতে গরীব কৃষকদের বিপাকে পড়তে হবে। এছাড়াও ওই পুকুর খনন কেন্দ্র করে এলাকায় সংঘর্ষের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এলাকাবাসী সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ জানান, অবৈধ ভাবে তিন ফসলি জমির কোথাও পুকুর খনন করার কোন সুযোগ নাই। ঝিকরা ইউনিয়নে যেখানে পুকুর খনন করা হচ্ছে সেটা পতিত জমি শুনেছি। তবে সেখানে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


ডেস্ক রিপোর্টঃ ১৩-০৫-২০২০ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 281 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com